ফ্রি ভাড়ার রসিদ — PDF আকারে
বাংলাদেশের বাড়িওয়ালাদের জন্য সহজ রসিদ
মাস শেষে ভাড়াটিয়াকে রসিদ দিতে আর কাগজ-কলমের ঝামেলা নয়। বাসা খাতা থেকে এক বাটনে PDF রসিদ বানান, WhatsApp এ পাঠান।
সাইনআপ ছাড়া দেখতে পারবেন। ৫ ইউনিট পর্যন্ত ফ্রি।
রসিদ নং RR-০০১
ভাড়াটিয়া: করিম উদ্দিন — ফ্ল্যাট ৩বি
| ভাড়া (মে ২০২৬) | ৳ 18,000 |
| বিদ্যুৎ বিল | ৳ 1,450 |
| গ্যাস | ৳ 500 |
| মোট | ৳ 19,950 |
প্রাপ্তি স্বীকার করছি — মো. আবদুল করিম
ভাড়ার রসিদ কী?
ভাড়ার রসিদ হলো একটি লিখিত প্রমাণ — যেখানে বাড়িওয়ালা স্বীকার করেন যে তিনি একটি নির্দিষ্ট মাসের ভাড়া পেয়েছেন। এটি ভাড়াটিয়ার জন্য পেমেন্টের প্রমাণ, আর বাড়িওয়ালার জন্য আয়ের হিসাব। ট্যাক্স রিটার্ন, ব্যাংক লোন বা পরবর্তী বছরের চুক্তি নবায়নের সময় এই রসিদই কাজে আসে।
কেন প্রতি মাসে রসিদ দরকার?
- •ভাড়াটিয়া পরে বলতে পারবেন না "আমি তো ভাড়া দিয়েছি" — লিখিত প্রমাণ থাকবে।
- •বছর শেষে কত আয় হলো — সব মাসের রসিদ একসাথে দেখলে পরিষ্কার বোঝা যায়।
- •ট্যাক্স রিটার্নে ভাড়ার আয় দেখাতে অডিট-প্রুফ ডকুমেন্ট পাবেন।
- •ভাড়াটিয়াকে অফিস বা ব্যাংকে রেসিডেন্স প্রমাণ দিতে কাজে আসে।
কিভাবে রসিদ বানাবেন
১. ভাড়াটিয়া যোগ করুন
২. মাসের বিল লিখুন
৩. PDF বানান
৪. ভাড়াটিয়াকে পাঠান
৫. সারা বছর সেভ থাকবে
প্রশ্ন ও উত্তর
বাড়ি ভাড়ার রসিদে কি কি লিখতে হয়?
ভাড়াটিয়ার নাম, ফ্ল্যাট/ইউনিট নম্বর, মাস, ভাড়ার পরিমাণ, বিদ্যুৎ-গ্যাস-পানি বিল, মোট পরিশোধিত টাকা, তারিখ ও বাড়িওয়ালার স্বাক্ষর — এই কয়টি তথ্য থাকলেই রসিদ বৈধ।
রসিদ কি হাতে লেখা হলে চলবে নাকি PDF লাগবে?
হাতে লেখা রসিদ চলে, তবে PDF রসিদ পরে সহজে খুঁজে পাওয়া যায় এবং WhatsApp এ পাঠানো যায়। ট্যাক্স অডিটে PDF রসিদ বেশি কাজ দেয়।
বাসা খাতা থেকে রসিদ বানাতে কত খরচ?
৫টি ইউনিট পর্যন্ত পুরোপুরি ফ্রি। কোন কার্ডের দরকার নেই, কোন ট্রায়াল লিমিট নেই।
রসিদ কি সরাসরি ভাড়াটিয়ার WhatsApp এ পাঠানো যাবে?
হ্যাঁ, রসিদ তৈরি করে এক বাটনে WhatsApp এ পাঠানো যায়। ভাড়াটিয়া PDF টা ফোনে সেভ করে রাখতে পারবেন।
পুরনো মাসের রসিদ কি পরে বানানো যায়?
হ্যাঁ। যেকোন মাসের জন্য রসিদ তৈরি করা যায়। তারিখ পরিবর্তন করা যায়।