বাড়ি ভাড়া চুক্তিপত্র — বাংলায়
সহজ ফরম্যাট, এক বাটনে PDF
ভাড়াটিয়া উঠানোর আগে চুক্তিপত্র করুন — পরে ঝামেলা এড়াবেন। নাম, ভাড়া, জামানত, শর্তাবলী — সব আগে থেকে সাজানো।
৫টি ইউনিট পর্যন্ত একদম ফ্রি। কার্ড লাগবে না।
নমুনা চুক্তিপত্র
বাড়ি ভাড়া চুক্তিপত্র
প্রথম পক্ষ: মো. আবদুল করিম (বাড়িওয়ালা)
দ্বিতীয় পক্ষ: রহিম মিয়া (ভাড়াটিয়া)
মাসিক ভাড়া: ১৫,০০০ টাকা
জামানত: ৩০,০০০ টাকা
মেয়াদ: ১২ মাস
শুরুর তারিখ: ০১ জুন ২০২৬
চুক্তিপত্র কী?
বাড়ি ভাড়া চুক্তিপত্র হলো বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার মধ্যে একটি লিখিত সমঝোতা। এতে ভাড়ার পরিমাণ, জামানত, মেয়াদ ও দুই পক্ষের দায়িত্ব স্পষ্ট লেখা থাকে। চুক্তিপত্র থাকলে ভবিষ্যতে ঝামেলা হলে আদালতে বা থানায় প্রমাণ হিসেবে কাজে আসে।
কেন চুক্তিপত্র দরকার?
- •ভাড়াটিয়া হঠাৎ ভাড়া না দিয়ে চলে গেলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া সহজ হয়।
- •জামানতের টাকা কখন ফেরত দেবেন — সেটা লেখা থাকলে কেউ অভিযোগ করতে পারে না।
- •প্রতি বছর ভাড়া বৃদ্ধির হার আগে থেকে ঠিক করে রাখা যায়।
- •ভাড়াটিয়া অফিস বা ব্যাংকে রেসিডেন্স প্রমাণ হিসেবে ব্যবহার করতে পারেন।
যা যা পাবেন
বাংলা টেমপ্লেট
সব শর্তাবলী আগে থেকে
PDF ডাউনলোড
কপি করে নতুন চুক্তি
বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়া দু'জনের জন্য
প্রশ্ন ও উত্তর
বাড়ি ভাড়ার চুক্তিপত্রে কি কি থাকা উচিত?
বাড়িওয়ালা ও ভাড়াটিয়ার নাম-ঠিকানা-NID, বাসার ঠিকানা, মাসিক ভাড়া, জামানত (অগ্রিম), চুক্তির মেয়াদ, ভাড়া বৃদ্ধির শর্ত, নোটিশের সময়সীমা এবং দুজনের স্বাক্ষর — এগুলো অবশ্যই থাকতে হবে।
চুক্তিপত্র কি স্ট্যাম্প পেপারে করতে হয়?
১২ মাসের বেশি চুক্তি হলে ৩০০ টাকা ননজুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে করা ভালো। ছোট মেয়াদের জন্য সাদা কাগজে দুই পক্ষের সই থাকলেও বৈধ।
জামানত (অ্যাডভান্স) কত নিতে পারি?
বাংলাদেশে সাধারণত ১-৩ মাসের ভাড়া জামানত হিসেবে নেওয়া হয়। চুক্তি শেষে ফেরতযোগ্য — এই শর্ত স্পষ্ট লিখে রাখুন।
বাসা খাতা থেকে চুক্তিপত্র কি বাংলায় বানানো যায়?
হ্যাঁ। পুরো চুক্তিপত্র বাংলায় তৈরি হয়, PDF আকারে ডাউনলোড করা যায় এবং ভাড়াটিয়ার সাথে শেয়ার করা যায়।
চুক্তির মেয়াদ শেষ হলে কি নতুন চুক্তি লাগবে?
হ্যাঁ, প্রতি বছর বা চুক্তির মেয়াদ অনুযায়ী নতুন করে চুক্তি করা ভালো। বাসা খাতায় পুরাতন চুক্তি কপি করে নতুনটা সহজে বানানো যায়।